সভাপতির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মোল্লা জালাল
সভাপতি​

বাংলাদেশের সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল। ১৯৫৭ সালের ১ মে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা সদরের ভান্ডাব গ্রামে তার জন্ম। ১৯৭২ সালে এসএসসি, ১৯৭৫ সালে এইচএসসি পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও ময়মনসিংহ ‘ল’ কলেজ থেকে এলএলবি পাশ করেন।
১৯৯২ সালে তিনি ঢাকায় দৈনিক লাল সবুজ পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন। তার অনেক আগে থেকে ময়মনসিংহের দৈনিক জাহানে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনীত হন। ১৯৯৯ সালে তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সাংগঠনিক পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। পরের বছর তিনি যুগ্ম-সম্পাদক এবং ২০০১ সালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন কর্মকান্ডে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেন। এ সময়ে তার সাংগঠনিক দক্ষতায় ইউনিয়নে বহু কর্মী সৃষ্টি হয়। ফলে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন একটি লড়াকু সংগঠন হিসেবে মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়। এরপর পেশাগত ও পারিবারিক সমস্যার কারণে ২০০২ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তার সাংগঠনিক কর্মকান্ডে কিছুটা ব্যতয় ঘটে।

২০০৮ সালে তিনি আবার সাংগঠনিক কর্মকান্ডে সক্রিয় হন ও বিএফইউজের যুগ্ম-মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন। এ পদে তিনি টানা চার বছর নেতৃত্ব দিয়ে সারাদেশের সাংবাদিকদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সবার কাছে তিনি একজন কর্মীবান্ধব ও সাংগঠনিক ব্যক্তি হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করেন।

২০১২ সালে তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে মহাসচিব পদে নির্বাচন করে সামান্য ভোটে পরাজিত হন। কিন্তু হাল ছেড়ে দেননি। পরপর দুই বার মহাসচিব পদে পরাজিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের নির্বাচনে সভাপতি পদে এককভাবে প্রার্থী হয়ে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে দিয়ে তিনি বিএফইউজের সভাপতি নির্বাচিত হন। বিএফইউজের শীর্ষ পদে নির্বাচিত হওয়ার পথ পরিক্রমায় তাকে নিরলস সংগ্রাম করতে হয়েছে। তাঁর মেধা, দক্ষতা ও দৃঢ় মনোবলই তাঁকে আজকের এই মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

২০১২ সালে তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে মহাসচিব পদে নির্বাচন করে সামান্য ভোটে পরাজিত হন। কিন্তু হাল ছেড়ে দেননি। পরপর দুই বার মহাসচিব পদে পরাজিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের নির্বাচনে সভাপতি পদে এককভাবে প্রার্থী হয়ে তুমুল প্রতিদ্বন্ধিতার মধ্যে দিয়ে তিনি বিএফইউজের সভাপতি নির্বাচীত হন। সাংবাদিকদের মর্য়াদার এই শীর্ষ সংগঠনের শীর্ষ পদে নির্বাচীত হওয়ার পথ পরিক্রমায় তাকে নিরলস সংগ্রাম করতে হয়েছে। তার মেধা, দক্ষতা ও দৃঢ় মনোবল তাকে আজকের এই মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সাংগঠনিক কর্মকান্ডের পাশপাশি পেশাগত দিকেও মোল্লা জালাল সব সময় যোগ্যতার সাক্ষর রেখেছেন। তিনি ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সময়ে দৈনিক লাল সবুজ পত্রিকায় ষ্টাফ রিপোর্টার থেকে চীফ রিপোর্টার এবং এক পর্যায়ে নিউজ এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে তিনি তৎকালিন দৈনিক রূপালী পত্রিকায় নিউজ এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। ২০০২ সালে ওই পত্রিকার মালিক সম্পাদক ইন্তেকাল করায় পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। এর পর তিনি তার সহকর্মীদের নিয়ে ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বার্তা সংস্থা “নিউজ নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ” এনএনবি। ২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সময়ে এনএনবি এদেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ সংস্থা হিসেবে সারাদেশে সুনাম অর্জন করে।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তার স্ত্রী একজন পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। একমাত্র পুত্র কানাডা প্রবাসী। তিনি একজন সুলেখক, গীতিকার ও সুরকার। তার লেখা গানে কন্ঠ দিয়েছেন এদেশের প্রখ্যাত শিল্পীদের মধ্যে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, সুবীর নন্দী, কনক চাঁপা, ডলি শায়ন্তনি, রফিকুল আলম, আলম আরা মিনু, বাপ্পা মুজমদার, বেলাল খানসহ অনেক প্রতিষ্ঠিত শিল্পী। তার লেখা উপন্যাস “নিশি অরণ্যে” প্রকাশের অপেক্ষায়।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচীত হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যে তিনি সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় গণমাধ্যম কর্মী (চাকরি শর্তাবলী) আই ২০১৮ প্রনয়নে যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন তা স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে। তা ছাড়া সাংবাদিক কল্যান ট্রাষ্টে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে একবার দাবি করে তাৎক্ষনিকভাবে ২০ কোটি টাকা অনুদান নিয়েছেন। যা ট্রাষ্টের গত ১০ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহিন। তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নকে একটি সত্যিকার ট্রেড ইউনিয়ন হিসেবে দাঁড় করাতে চান।

মহাসচিবের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মহাসচিব
শাবান মাহমুদ

বিএফইউজে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শাবান মাহমুদ। ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত বিএফইউজে’র নির্বাচনে প্রায় ১৩শ ভোটের ব্যবধানে তিনি ৩ বছরের জন্য এ পদে নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ২০১২ সালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও ২০১৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন।

২০০১ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউ’র সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন শাবান মাহমুদ।

১৯৮৮ সালে দৈনিক বাংলার বাণীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে পর্যায়ক্রমে দৈনিক লাল সবুজ, দৈনিক রূপালী, দৈনিক বাংলা বাজার ও দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় কাজ করেন শাবান মাহমুদ। এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশন-বিটিভিতে ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত একজন জনপ্রিয় রিপোর্টার হিসেবে বার্তা বিভাগে কাজ করেন তিনি। ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত সরকার গঠনের পর তৎকালীন সরকার বিটিভির রিপোর্টার/প্রযোজক পদ থেকে তাঁকে চাকরিচ্যুত করেন।

বর্তমানে দেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন’এ বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করছেন শাবান মাহমুদ।

১৯৮৫ সালে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের গোহালা টিসিএ এল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি ও ১৯৮৭ সালে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি । পরবর্তীতে ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩-৯৪ সমাপনী বর্ষে ভাষাতত্ত্ব বিভাগ থেকে  স্নাতকোত্তর করেন শাবান মাহমুদ।

 

ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মঈন-ইকবাল কমিটিতে জাতীয় পরিষদের সদস্য ও শামীম-পান্না কমিটিতে জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।
১৯৬৭ সালের ৪ঠা নভেম্বর গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের একটি অভিজাত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আবদুস সালাম বিশ্বাস দীর্ঘ ৩৫ বছর মুকসুদপুরের গোহালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। মা বেগম মমতাজ সালাম ছিলেন রত্মগর্ভা। ৯ ভাই বোনের মধ্যে শাবান মাহমুদ চতুর্র্থ। তার সহধর্মীনি হুসনেয়ারা মুন। তাদের রয়েছে পুত্র রোদ্দুর ও কন্যা রাকা।